ছোট বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিত - ৬ মাসের বাচ্চার প্রথম খাবার কি কি হয়? বিস্তারিত জেনে নিন?
আজকে আমরা জানবো যে ছেলে পেলের ক্ষেত্রে ছোট বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিত তাদের শরীরের প্রোটিনের জন্য। ও তার সাথে সাথে এটাও জানবো যে ৬ মাসের বাচ্চার প্রথম খাবার কি কি হয়। যেটি আমরা বাচ্চাকে দিলে বাচ্চা সুস্থ্য ও গোরথ করবে। আসুন জানি?
ভূমিকাঃ
আমরা আমাদের বাচ্চাদের সব সময় ভাল কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করে থাকি। কিন্তু অনেক সময় আমরা বুঝে ওঠতে পারি না যে। বাচ্চাকে কি ধরনের খাবার খাওয়ানো উচিত। যেটি খাওয়ালে বাচ্চারা তারা তারি বেড়ে ওঠবে।
![]() |
ছোট-বাচ্চাদের-কি-খাওয়ানো-উচিত |
ছোট বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিতঃ
ছোট বাচ্চাদের সুস্থভাবে বেড়ে তোলার জন্য পুষ্টিকর ও সুষম খাবার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মায়ের দুধ শিশুর জন্য প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য, কারণ এতে সকল প্রকার ভিটামিন, খনিজ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী উপাদান থাকে। প্রথম বাচ্চা হওয়ার পরে মায়ের বুকের দুধ কিংবা ফর্মূলা দুধ বাচ্চাকে খাওয়ানো উচিত। তাছড়া ছয় মাস বয়সের পর থেকে ধীরে ধীরে বাচ্চাদের তরল ও আধা-ঠাসা খাবার যেমন—খিচুড়ি, ডালভাত, সুজি, ফলের রস, কলা, সেদ্ধ আলু ও সবজি খাওয়ানো যেতে পারে।
বাচ্চাদের শরীর ও মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশের জন্য দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, শাকসবজি ও ফল নিয়মিত খাওয়ানো প্রয়োজন। এছাড়া ঝাল, অতিরিক্ত মসলা বা তেলে ভাজা খাবার বাচ্চাকে কখনো খাবাবেন না। এ ছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খাবার খাওয়ানোও খুব জরুরি। সঠিক সময়ে সুষম খাবার খাওয়ালে বাচ্চারা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে সক্ষম হবে।
৬ মাসের বাচ্চার প্রথম খাবার কি কি হয়ঃ
ছোট বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিত ও তার সাথে এটা জানুন যে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত বাচ্চাকে শুধুমাত্র মায়ের দুধই বাচ্চার জন্য সর্বোত্তম ও নিরাপদ খাবার। কিন্তু ছয় মাস পার হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে বাচ্চাকে "পরিপূরক খাবার" দেওয়া শুরু করতে হবে। কারণ তখন শুধু মায়ের দুধই তার প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি পূরণ করতে পারে না। আসুন জানি কি খাওয়ানো উচিত?
- সবার আগে মায়ের দুধ এখনো প্রধান খাবার হয়ে আছে পুরো বিশ্বের কাছে। এই মায়ের দুধ নিয়মিত খাওয়াতে হবে বাচ্চাকে।
- ভাতের মাড় হালকা, সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর। এটি হালকা করে খাওয়ানো উচিত বাচ্চাকে।
- সেদ্ধ ভাত চটকে দেওয়া অল্প অল্প করে বাচ্চাকে খাওয়ানো স্বাস্থ্যর জন্য ভাল।
- সেদ্ধ আলু চটকে দেওয়া নরম ভাতের সাথে সহজপাচ্য খাবার।
- ডালের পাতলা পানি হালকা ও পুষ্টিকর খাবার।
- সেদ্ধ ডিমের কুসুম (অল্প করে) – সপ্তাহে ২-৩ বার দেওয়া যেতে পারে।
- ফলের রস যেমন কলা চটকে, আপেল/পেঁপে চটকে খাওয়ানো যেতে পারে।
- বাচ্চার খাবার প্রতিদিন অল্প অল্প করে বাড়াবেন খাবারের পরিমাণ।
- সুজির পায়েস (চিনি/লবণ ছাড়া) – অল্প অল্প করে খাওয়ানো যেতে পারে।
- আপেল,কলা,পেঁপে, হালকা জাতীয় ফল বাচ্চাকে খাওয়ানো যেতে পারে।
- বাচ্চাকে প্রথম যেকোনো খাবার খাওয়ানোর সময় আস্তে আস্তে খাবাবেন।
- বাচ্চাকে খাবার খাওয়ানোর সময় অবশ্যই নিজের হাত পরিষ্কার রাখবেন।
শিশুর সর্বোত্তম খাদ্য কিঃ
ছোট বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিত ও বাচ্চাদের কি খাওয়ালে ভাল হয় সেটি আমরা এই তথ্য থেকে জানতে পারবো। শিশুর জন্য সর্বোত্তম ও প্রথম খাদ্য হলো মায়ের দুধ। জন্মের পর থেকে অন্তত ৬ মাস পর্যন্ত কেবলমাত্র মায়ের দুধই শিশুর পূর্ণ পুষ্টি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং সুস্থ বিকাশের জন্য যথেষ্ট। মায়ের দুধে শিশুর প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি উপাদান যেমন – প্রোটিন, চর্বি, শর্করা, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে।
- মায়ের দুধের উপকারিতাঃ
- শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
- মায়ের বুকের দুধ পান করলে বাচ্চাদের সকল প্রকার তারা ভিটামিন পেয়ে থাকে।
- সহজে হজম হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার রোগ থেকে ঝুঁকি কমায়।
- শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করে।
- মায়ের সঙ্গে শিশুর আবেগীয় সম্পর্ক দৃঢ় করে।
- সাশ্রয়ী ও সর্বদা নিরাপদ খাবার।
- এ ছাড়া আস্তে আস্তে আপনি খাবারের দিকে নিজের বাচ্চাকে নিয়ে যেতে পারবেন। যেমনঃ কলা,আপেল,পেঁপে, এই সব পুষ্টিকর খাবার দিতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত। এরপর ধীরে ধীরে পরিপূরক খাবার (ভাতের মাড়, সেদ্ধ আলু, ডাল পানি, নরম ফল ইত্যাদি) দেওয়া শুরু করতে হয়, তবে মায়ের দুধ চালিয়ে যেতে হয় অন্তত ২ বছর বা তারও বেশি সময় পর্যন্ত।
বাচ্চা খেতে না চাইলে কি করা উচিতঃ
ছোট বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিত সেটি আমরা জেনেছি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে বাচ্চারা কোনো কিছু খেতে চাই না? এটি হওয়ার কারণ হচ্ছে যে,অনেক সময় ছোট বাচ্চারা খেতে অনীহা প্রকাশ করে, যা বাবা-মায়ের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে ধৈর্য ধরে সঠিক উপায় অবলম্বন করলে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে শিশুটি অসুস্থ কি"না অনেক সময় জ্বর, সর্দি-কাশি বা পেটের সমস্যার কারণে বাচ্চারা খেতে চায় না।
সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শিশুর খাবার যেন বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় হয় সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। বাচ্চারা কি কি খেতে পছন্দ করে সেদিকে আপনাকে প্রতিনিয়ত খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার না দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের খাবার দিতে অভ্যাস করুন। ফল, সবজি বা মজাদার পরিবেশনার মাধ্যমে শিশুকে আকৃষ্ট করা যায়। জোর করে খাওয়ানো উচিত নয়, বরং খেলাধুলার মাঝে বা আনন্দঘন পরিবেশে খাওয়ালে শিশু আগ্রহী হয়ে খেতে পারে।
অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ানোও কার্যকরী হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অভিভাবককে ধৈর্যশীল হতে হবে খাওয়ানোর ক্ষেত্রে এবং শিশুর সামনে সবসময় হাসি-খুশি মনোভাব দেখাতে হবে। কেননা আমাদের কাছে কোনো সমস্যা ছোট মনে হলে তা বাচ্চাদের কাছে অনেক বড় মনে হতে পারে। তাই আপনাকে বাচ্চার সাথে বাচ্চা হতে হবে বাচ্চাকে মানুষের মতো মানুষ করতে হলে।
১ বছরের বাচ্চার খাবারের তালিকাঃ
আমরা আগেই জেনেছি যে ছোট বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিত এর সাথে সাথে বাচ্চা যখন বড় হতে শুরু করে। তখন তার খাবারের পরিমাণ ও মান দুটো চেঞ্জ করতে হয়। তাহলে জেনে নিন যে বাচ্চাদের কি কি খাওয়া ভাল তাদের স্বাস্থ্যর জন্য।
১ বছর বয়সে শিশুর খাবারের তালিকা বৈচিত্র্যময় হওয়া উচিত, যাতে ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট সবই সঠিক পরিমাণে থাকে। এই বয়সে বুকের দুধ বা ফর্মুলা মিল্ক এখনো প্রয়োজন, তবে এর সাথে নিয়মিত খাবারও দিতে হবে।
- সকালের নাস্তাঃ
- বুকের দুধ / ফর্মুলা দুধ
- নরম সেদ্ধ ডিমের কুসুম
- সেমাই, ওটস বা নরম খিচুড়ি
- ওট্মিল, সুজি, রান্না করে বাচ্চাকে খাওয়ানো ভাল।
- কলা, আপেল, পেয়ারা বা পেঁপে মিহি বা টুকরা করে চটকানো ফল দিতে পারেন।
- দই (চিনি ছাড়া)
- দুপুরের খাবারঃ
- নরম ভাত + ডাল + সবজি (ভালোভাবে সেদ্ধ ও মিহি করে দেওয়া)
- এ ছাড়া আপনি চাইলেও নরম করে রুটি বানিয়ে খাওয়াতে পারেন বাচ্চাকে
- মাছ বা মুরগির মাংসের ছোট টুকরা (কাঁটা ছাড়া)
- নরম খিচুড়ি (ভাত, ডাল, সবজি মিশিয়ে)
- বিকেলের খাবারঃ
- বিস্কুট / রুটি নরম করে দুধের সাথে
- দুধ অথবা স্যুপ (সবজি/চিকেন স্যুপ)
- যেকোনো ফল কেটে বা রস বের করে খাওয়াতে পারেন বাচ্চাকে।
- রাতের খাবারঃ
- নরম ভাত বা খিচুড়ি
- সবজি চটকানো
- ডিম/মাছ/মাংস অল্প পরিমাণে
- খাবার যেন সবসময় ভালোভাবে সেদ্ধ, নরম ও কাঁটা-মুক্ত হয়।
- ঝাল, মসলা, লবণ ও অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলা জরুরি।
- প্রতিদিন নতুন খাবার দেওয়ার আগে অল্প অল্প করে শুরু করবেন।
- আপনার বাচ্চা যেসব খাবারে বেশি আগ্রহী সেসব খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন।
- আর হ্যাঁ বাচ্চাকে সব সময় নতুন কিছু খাবার দেওয়ার ট্র্যাই করবেন।
- বাচ্চার যদি কোনো খাবারের প্রতি এলার্জি থাকে। তাহলে ভুল করেও সেসব খাবার তার সামনে নিয়ে যাবেন না।
এই সব ফর্মূলা ব্যবহার করে আপনি আপনার বাচ্চাকে খাওয়ানোর কাজে এক্সপার্ট হয়ে যাবেন।
৫ মাসের শিশুর খাবার তালিকাঃ
৫ মাস বয়সী শিশুর প্রধান খাদ্য এখনো শুধু মায়ের বুকের দুধ অথবা প্রয়োজনে ফর্মুলা দুধ এ ছাড়া কিছুই হতে পারে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে, শিশুকে ৬ মাস পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত শুধুমাত্র দুধই খাওয়ানো উচিত। এ সময় অন্য কোনো খাবার (ভাত, ডিম, ফল, মধু, গরুর দুধ ইত্যাদি) দেওয়া নিরাপদ নয় বাচ্চার ক্ষেত্রে।
- কারণ শিশুর হজম প্রক্রিয়া তখনো পুরোপুরি গড়ে ওঠতে পারে না। ৫ মাসের শিশুর খাবার তালিকা কি কি হয় নিচে পড়ে নিন?
- শুধু বুকের দুধ (মায়ের দুধ) – সবচেয়ে ভালো, পুষ্টিকর ও নিরাপদ।
- যদি কোনো কারণে বুকের দুধ যথেষ্ট না হয়, তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ফর্মুলা দুধ দেওয়া যেতে পারে।
- দিনে ৬–৮ বার দুধ খাওয়ানো উচিত (শিশুর ক্ষুধা অনুযায়ী)।
- প্রচুর পানি বা অন্য কোনো তরল খাবার দেওয়ার দরকার নেই। কারণ দুধেই পানি ও সব প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকে।
- আপনি চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাচ্চাকে হালকা ধরনের ভিটামিন খাওয়াতে পারেন।
- তাই ৫ মাস বয়সে শিশুর জন্য সবচেয়ে ভালো খাদ্য হচ্ছে শুধু মায়ের দুধ বা প্রয়োজনে ফর্মুলা দুধ।
- ভাত, খিচুড়ি, ডিম, ফল, ডাল, গরুর দুধ, মধু, বিস্কুট, স্যুপ ইত্যাদি। এই ধরনের খাবার বাচ্চাকে কখনো ভুল করেও খাবাবেন না। ক
- ৬ মাসের আগে এই সব খাবার দিলে শিশুর ডায়রিয়া, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট বা হজমের সমস্যা হতে পারে।
বাচ্চাদের কি কি ভিটামিন খাওয়ানো উচিতঃ
আপনি যদি ভেবে না পান যে বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিত। তাহলে আপনার মনের প্রশ্নের উত্তর আপনি এইখানে পেয়ে যাবেন। শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক উন্নতি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে ভিটামিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত শিশুরা খাবার থেকেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন পেয়ে থাকে, তবে কখনও কখনও ডাক্তারের পরামর্শে অতিরিক্ত ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট দেওয়া লাগতে পারে। তাহলোঃ
- ভিটামিন "এ"
- চোখ ভালো রাখতে, ত্বক সুন্দর রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- গাজর, কুমড়া, কলিজা, দুধ, ডিম, শাকসবজি।
- এইসব খাবার খেলে বাচ্চাদের বেড়ে ওঠতে সাহায্য করে তাড়াতাড়ি।
- ভিটামিন "বি"
- হজম, শক্তি উৎপাদন ও মস্তিষ্কের উন্নতিতে সাহায্য করে।
- ভাত, ডাল, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, বাদাম। এই সব খাবার খাওয়ানো উচিত।
- এই সব খাবার বাচ্চাকে দিলে তাদের শরীরের স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় ও লোহিত রক্ত কণিকা শরীরে হাড় মজবুত করে।
- ভিটামিন "সি"
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও শরীরের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
- লেবু, কমলা, আমড়া, পেয়ারা, টমেটো এই সব খাবার খেলে শরীরের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- ভিটামিনজ "ডি"
- হাড় ও দাঁত মজবুত করতে খুব জরুরি।
- সূর্যের আলো, দুধ, ডিমের কুসুম, মাছ। এই সব খাবার শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
- ভিটামিন "কে"
- রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে (কোনো কাটাছেঁড়া হলে রক্তক্ষরণ কমায়)।
- শাকসবজি, ব্রকোলি, পালং শাক। এই সব খাবার নিজে ও বাচ্চাকে সব সময় খাবানোর চেষ্টা করবেন।
তবে মনে রাখতে হবে, বাচ্চাদের ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দেওয়া উচিত নয়। বেশিরভাগ ভিটামিন প্রাকৃতিক খাবার থেকেই পাওয়া যায়।
লেখকের মক্তব্যঃ
আসা করি যে আপনি বুঝতে পেরেছেন বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ছোট বাচ্চাদের কি খাওয়ানো উচিত প্রতিদিন। ও তার সাথে সাথে এটাও জানলেন যে ৬ মাসের বাচ্চার প্রথম খাবার কি কি হয়।
প্রশ্ন থাকলে কিংবা ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন ও শেয়ার করবেন আপনার প্রিয় মানুষের সাথে।
আরো কিছু জানতে বা শিখতে চাইলে ভিজিট করুন.................. www.stylishsm.com
( আপনার প্রিয় ব্লগার স্টাইলিশ )
স্টাইলিশ এস এম নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হবে।
comment url